রবিবার, ০৫ Jul ২০২৬, ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন
পরিকল্পনা অনুযায়ী, কর জিডিপি অনুপাত ১৪ শতাংশে উন্নীত করে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়িয়ে প্রবৃদ্ধি হবে সাড়ে ৮ শতাংশে। পাঁচ বছর মেয়াদে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয় ৬৪ লাখ ৯৬ হাজার কোটি টাকা।
করোনার বিপর্যয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের চেষ্টার মধ্যেই চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হলো আগামী পাঁচ বছরের জন্য অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা। এর আগেই পরিকল্পনার খসড়া মন্ত্রিসভায়, সংসদে ও সবশেষ ২৩ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হয়।
চূড়ান্ত অনুমোদনের পর সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনা মন্ত্রী জানান, শিল্প বা ঘরবাড়ি করতে গিয়ে যেন ফসলী জমি নষ্ট না হয় সেজন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
২০২৫ সাল মেয়াদের নতুন পরিকল্পনায় ৩২ লাখ লোক বিদেশে পাঠানো হবে। বেসরকারি বিনিয়োগ ২৪ থেকে বাড়িয়ে ২৭ শতাংশ করা হবে। কৃষিখাতের নির্ভরতা ৩ শতাংশ কমবে। বাড়বে শিল্প ও সেবা খাতের অবদান। দ্রারিদ্রের হার কমবে ৫ শতাংশ। অন্যদিকে মোট দেশজ উৎপাদনের ১৪ শতাংশে উন্নীত করা হবে রাজস্ব আয়। অর্থনীতির এসব পরিকল্পনার ওপর ভর করে প্রবৃদ্ধি ধারাবাহিকভাবে বেড়ে দাঁড়াবে সাড়ে ৮ শতাংশে।
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এসডিজি বাস্তবায়নের অস্ত্র হিসাবে দেখছে সরকার। এসব বাস্তবায়নের বিশাল অর্থের ৫৭ লাখ ৪৮ হাজার ৩৯০ কোটি টাকার যোগান আসবে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে। আর ৭৪ হাজার কোটি টাকা থাকবে বিদেশী অর্থায়ন।